মাছ শিকারের সময় কক্সবাজারের টেকনাফে তিনটি ট্রলারসহ ১৬ জন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি জেলেকে আটক করেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা। টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোট মালিক সমিতির সভাপতি বিস্তারিত...
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে আহত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পাহাড়ি এলাকার এই সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে
নাফ নদ বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার প্রাকৃতিক সীমারেখা। যার পানিতে জড়িয়ে আছে সীমান্তের রাজনীতি, অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার লড়াই। এ নদ একদিকে অনেক বাংলাদেশির জীবিকার উৎস, অন্যদিকে ভয় আর বিপর্যয়ের
পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গা গ্রাম গুঁড়িয়ে নিরাপত্তা ঘাঁটি গড়েছে মিয়ানমারের জান্তা সেনারা। জাতিসংঘের এক তদন্তে বেরিয়েছে এ তথ্য। রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেখানে গ্রাম, মসজিদ, কবরস্থান থেকে শুরু করে জমি পর্যন্ত নিশ্চিহ্ন করা
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া টেকনাফের দুটি ট্রলারসহ আরও ১৪ জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ট্রলার মালিকদের অভিযোগ, এই অপহরণের সঙ্গে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা
সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ পশ্চিমে বাদর হাচা নামক সাগরে মাছ শিকারের সময় তিনটি ফিশিং বোটসহ ১৮ জন জেলেদের ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি। বর্তমানে ফিশিং বোট তিনটি মিয়ানমার অভ্যন্তরে নাইক্ষ্যংদিয়া নামক