শুক্রবার ৬ মে শুরু হওয়া ডিসি সাহেবের বলী খেলার অন্যতম আকর্ষন হলো জাতীয় কুস্তি টিমের ২ জন যুবতী নারী বলী। এ ২ জন প্রমীলা যুবতী বলী ডিসি সাহেবের বলী খেলায় শুক্রবার বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে দর্শকদের শুভেচ্ছা জানান।
ঢাকা থেকে আসা যুবতী বলীর একজন হচ্ছে-ফাতেমা এবং অপরজন পিভি রায়। তাঁরা ২ জনই জাতীয় কুস্তি টিমের খেলোয়াড়। ২ জনই দেশের বিভিন্ন মাঠে ছাড়াও সাফ গেমমস, নেপাল সহ বিভিন্ন দেশে জাতীয় টিমের হয়ে আন্তর্জাতিক কুস্তি খেলায় লড়ছেন।
নারী বলী ফাতেমা এবং পিভি রায় দর্শকদের শুভেচ্ছা জানাতে শুক্রবার বিকেলে ঢোলের তালে তালে হাত উঁচিয়ে স্টেডিয়ামের চতুর্পাশে রাউন্ড দেওয়ার সময় উৎসুক দর্শকেরা আনন্দে মেতে উঠেন। বলী খেলা চলাকালে এ ২ জন যুবতী বলীর প্রতি দর্শকদের দৃষ্টি ও তাদের বলী খেলা দেখার জন্য উদগ্রীব ছিলেন বেশী। স্থানীয় কোন নারী বলী প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের জন্য না পেলে ফাতেমা ও পিভি রায় এর মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে জানান তারা। সুদর্শনা ফাতেমা ও পিভি রায়ের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে দর্শকদের মাঝে বেশ কৌতুহল লক্ষ্য করা গেছে।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, জাতীয় কুস্তি টিমের ৩ জন পুরুষ খেলোয়াড়ও ডিসি সাহেবের বলী খেলায় অংশ নিতে কক্সবাজার এসেছেন। ডিসি সাহেবের বিগত বলী খেলাতেও নারী বলী অংশ নিয়েছিলেন বলে তিনি জানান।
এছাড়া চট্টগ্রামের জব্বারের বলী খেলায় এ বছর চ্যাম্পিয়ান হওয়া চকরিয়ার তারেকুর রহমান জীবন বলীও কক্সবাজারের ডিসি সাহেবের বলী খেলায় অংশ নিচ্ছেন। শুক্রবার জীবন বলী মাঠে পায়চারি করেছেন। শনিবার বিকেলে তিনি খেলায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
কক্সবাজারের ইতিহাস, ঐতিহ্যের এক অনন্য অংশ ডিসি সাহেবের বলী খেলা। ১৯৫৬ সালে কক্সবাজার মহকুমা থাকাবস্থায় “এসডিও সাহেবের বলী খেলা” নামে এ খেলার প্রবর্তন হয়। ১৯৮৪ সালে কক্সবাজার মহকুমা থেকে জেলায় রুপান্তর হওয়ার পর “এসডিও সাহেবের বলী খেলা” থেকে “ডিসি সাহেবের বলী খেলা” নামকরণ করা হয়। এ বছরের বলী খেলা ৬৭ তম আসর।
সূর্যোদয় :- ৫:১০ | সূর্যাস্ত :- ৬:৪৯ |
নাম | সময় |
ফজর | ৪:১৫ |
যোহর | ১২:১০ |
আছর | ৪:৫০ |
মাগরিব | ৬:৪৫ |
এশা | ৮:১৫ |