দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণে মুক্তি মিলেছে অপহৃত সিএনজি চালক পাভেল চাকমার। পরবর্তীতে এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের পরিবার।
আজ রবিবার (২০ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে পাঁচ দুর্বৃত্তকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। পরে গ্রেফতারকৃতরা ভিকটিম পাভেল চাকমার অপহরণের সঙ্গে জড়িত ছিলো বলে স্বীকার করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- কক্সবাজারের চকরিয়ার কোনাখালী ইউপির আব্দুল হাকিম পাড়ার যথাক্রমে নুরুল কবিরের ছেলে আব্বাস উদ্দিন (৪২), আব্দুল হাকিম ভূট্টোর ছেলে সাকিবুল ইসলাম (২২), সফি আলমের ছেলে ফরহাদ মিয়া (১৯) এবং ডেমুশিয়ার মৃত ইউনুছ আহাম্মদ এর ছেলে মো. রবিউল হোসেন (২৭) ও সাহাব উদ্দিন এর ছেলে মো. তাওসিফ (১৯)।
জানা গেছে, ভিকটিম সিএনজি চালক পাভেল চাকমার অপহরণ মামলার সূত্র ধরে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয় যে, কিছু দুর্বৃত্ত অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার নিমিত্তে টেকনাফের বাহারছড়া ইউপির লামার বাজারস্থ সৈকত কাউন্টারের সামনে অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও আরও কয়েকজন রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শীলখালীর এক বসতবাড়ির ছনের স্তুপের ভিতরে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় একটি ১২.৪ ইঞ্চি লম্বা এলজি, তিনটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
এবিষয়ে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দূর্জয় বিশ্বাস বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি গ্রেফতারকৃত অপহরণকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। এছাড়া ভিকটিম পাভেল তাদেরকে অপহরণকাণ্ডে জড়িত বলে সনাক্ত করেন।
মূলত তিনি দায়িত্ব গ্রহণের ১০ দিনের মাথায় এ অপহরণের ঘটনাটি ঘটে এবং অপহরণে জড়িতদের আটক করতে সক্ষম হয়।এনিয়ে এলাকায় সাধারণের মাঝে স্বস্তি মিলেছে।পাশাপাশি বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎপরতাকে সাধুবাদ জানান।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৮ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে হোয়াইক্যং থেকে শামলাপুর যাত্রাকালে ঢালা থেকে অপহরণের শিকার হন সিএনজি চালক পাভেল চাকমা। পরে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণে ফিরে এসেছে অপহৃত সিএনজি চালক পাভেল।
সূর্যোদয় :- ৫:১০ | সূর্যাস্ত :- ৬:৪৯ |
নাম | সময় |
ফজর | ৪:১৫ |
যোহর | ১২:১০ |
আছর | ৪:৫০ |
মাগরিব | ৬:৪৫ |
এশা | ৮:১৫ |