টেকনাফের হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যকার বাকবিতন্ডা রক্তারক্তিতে রূপ নিয়েছে। এতে ওমর খলিল নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ছুরিকাঘাতের শিকার হয়। বর্তমানে সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) বেলা ১টার দিকে হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাথরুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, আজ মঙ্গলবার থেকে হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকাল শিফটের পরীক্ষা শেষে দুপুর শিফটের পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে শুরু করে। ওই সময় কিছু পরীক্ষার্থী বাথরুমে প্রাকৃতিক কার্য সম্পাদন করতে যায়। সেইখানে নবম শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্র ও উপজেলার হ্নীলা ইউপির ওয়াব্রাং এলাকার দুবাই প্রবাসী আব্দুল্লাহর ছেলে ওমর খলিল এবং ফুলের ডেইল এলাকার জাফর আলমের ছেলে মোহাম্মদ সাবের এর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সাবের কিছু বুঝে ওঠার আগে খলিলের পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
তাৎক্ষণিক উপস্থিত শিক্ষার্থীরা রক্তাক্ত ওমর খলিলকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম জানান, পরীক্ষার ব্যস্ততার মাঝে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা শুনে সবাই হতভম্ব হয়ে পড়ি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও উর্ধ্বতন মহলের সাথে পরামর্শক্রমে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাতে আগামীতে এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনা না ঘটে।
এদিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় সাধারণ অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন।
অন্যদিকে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বিদ্যালয়ের ভিতরে কীভাবে একজন শিক্ষার্থী ছুরি নিয়ে যায়? এমন উদ্ভুত পরিস্থিতি বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতাকে দায়ী করে।
হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট রশিদুল আলম চৌধুরী বলেন, এ ধরণের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। বর্তমানে আহত শিক্ষার্থী কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিগগিরই তদন্তপূর্বক ঘটনার আদ্যোপান্ত জেনে একাডেমিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূর্যোদয় :- ৫:১০ | সূর্যাস্ত :- ৬:৪৯ |
নাম | সময় |
ফজর | ৪:১৫ |
যোহর | ১২:১০ |
আছর | ৪:৫০ |
মাগরিব | ৬:৪৫ |
এশা | ৮:১৫ |