মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে আসা মালিকবিহীন বাছুরসহ ১৭টি মহিষ টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকা থেকে জব্দ করেছে ৬৪ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।
গতকাল সোমবার দুপুরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের পল্লান পাড়া সীমান্ত চৌকির প্রস্তাবিত এলাকায় ওইসব নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন টেকনাফ কাস্টমস শুল্ক বিভাগের শুল্ক কর্মকর্তা মো. সোহেল উদ্দিন।
তিনি জানান, গত শনিবার (১২ এপ্রিল) রাতে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে চোরাই পথে আনা পাঁচটি বাছুরসহ ১৭টি মহিষ জব্দ করেন ৬৪ বিজিবির টহল দল। পরে এ মহিষগুলোর কোন মালিক খুঁজে না পেয়ে টেকনাফ কাস্টমস শুল্ক বিভাগে জমা করা হয়েছে।
টেকনাফ কাস্টমস শুল্ক বিভাগ গুদাম কর্মকর্তা মাসুদ আলম বলেন, গত রোববার টেকনাফ পল্লান পাড়া প্রস্তাবিত সীমান্ত চৌকির এলাকায় পাঁচটি বাছুরসহ ১৭টি মহিষের নিলামের ডাক দেওয়া হয়।
বিজিবি কর্তৃক জব্দকৃত মহিষের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। পরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ছোট-বড় মহিষগুলোর বাজারদর মিলিয়ে ১৭লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করে নিলামের ডাক দেওয়া হয়। নিলামে ৭৪ জন অংশগ্রহণ করলেও ভালো দাম না উঠার কারণে তা বাতিল করা হয়। পরেরদিন গতকাল সোমবার দুপুরে একই এলাকায় খোলা বাজারে নিলামের ডাক দেওয়া হলে এতে ৯৫ জন লোক অংশগ্রহণ করে। কিন্তু কাস্টমসের বাজারদর নিলাম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ডাককারি মেসার্স সাহেব এন্টারপ্রাইজ এর নিকট ৯ লাখ টাকা ও ২৫% আয়কর এবং ভ্যাটসহ ১১লাখ ২৫ হাজার টাকা নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। এই নিলামে দ্বিতীয় স্থানে ছিল মেসার্স নাহিদ ট্রেডাস ৮ লাখ ৯৫ হাজার ও তৃতীয় স্থানে ছিল মেসার্স আরেফিন ট্রেডিং ৮ লাখ ৯৪ হাজার।
মেসার্স সাহেব এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটার মাহবুব আলম বলেন, খোলা বাজারে ১৭টি মহিষের ডাক দেওয়া হয়। এরমধ্যে পাঁচটি বাছুর রয়েছে। ১২টি মাঝারি আকারের মহিষ। আয়কর ও ভ্যাটসহ ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দামে ক্রয় করা হয়েছে।
টেকনাফ কাস্টমস শুল্ক বিভাগের শুল্ক কর্মকর্তা মো. সোহেল উদ্দিন বলেন, বাছুরসহ ১৭টি মহিষ সর্বোচ্চ নিলাম ডাককারি ব্যক্তিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সূর্যোদয় :- ৫:১০ | সূর্যাস্ত :- ৬:৪৯ |
নাম | সময় |
ফজর | ৪:১৫ |
যোহর | ১২:১০ |
আছর | ৪:৫০ |
মাগরিব | ৬:৪৫ |
এশা | ৮:১৫ |