চকরিয়ায় ভাড়া বাসায় চুরি করতে গিয়ে কনস্টেবলের স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আসামী আবুল কালাম প্রকাশ পারভেজ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন।
২৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি এ জবানবন্দী দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, গত ১৫ জুলাই রাত তিনটার দিকে পালাকাটার আজিজ, আবুল হাশেম ও অটোরিক্সা চালক বেলালসহ পৌরসভার গেট চিংড়ি চত্বর গলির মুখে কাপড়ছোপড় পরিবর্তন করে তার অটোরিক্সা করে সিকদার পাড়ায় যায়। আজিজ ও হাশেম আলাদাভাবে চুরি করতে যায়। রাত তিনটার দিকে পারভেজ উত্তর পাশের গলিতে যায়। যে ঘরে চুরি করতে যায় ওই ঘরের জানালা খোলা ছিল। জানালা দিয়ে দেখেন একজন মহিলা ঘরের মেঝেতে দুইটি বাচ্চা নিয়ে ঘুমিয়ে আছেন। জানালা খোলা আছে দেখে বের হয়ে একটি বাঁশ দিয়ে দরজার ছিটকিনি খোলার জন্য বাঁশের মাথায় প্লাস্টিক দিয়ে ছোট একটি কাঠের ডাল বেধে ফাঁদ বানায়। এরপর দরজার ছিটকিনি খুলে বাসার সামনে সিসি ক্যামেরা থাকায় লাইট বন্ধ করে দেয়। ঘরে ঢুকে একটি বাটন ফোন, এনড্রয়েড ফোন ও ২৭শত টাকা পাওয়া যায়। ওই মহিলা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। পরে চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ছুরির ভয় দেখিয়ে নিবৃত করে তারা। পরে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। তিনি অনুরোধ করেন ছেলে-মেয়েদের সামনে কোন কিছু না করার জন্য। পরে রান্না ঘরে নিয়ে গিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। সেখান থেকে পালিয়ে গিয়ে আজিজ, আবুল হাশেম ও বেলালসহ চারজনে ৩ শত টাকা করে ভাগ করে নেন। ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক আবুল কালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ৫দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারক্তীমুলক জবানবন্দি দেন। ধর্ষণের ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদি হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা করেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার ২৪ ঘন্টার মাথায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক আবুল কালামকে গ্রেফতার করা হয়। আদালত আবুল কালামকে দুটি মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ড শেষে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দী প্রদান করে তিনি।
সূর্যোদয় :- ৫:১০ | সূর্যাস্ত :- ৬:৪৯ |
নাম | সময় |
ফজর | ৪:১৫ |
যোহর | ১২:১০ |
আছর | ৪:৫০ |
মাগরিব | ৬:৪৫ |
এশা | ৮:১৫ |